২০২৩ সাল পর্যন্ত ক্রিকেটের বৈশ্বিক ইভেন্টগুলো ভাগ করে নিয়েছে 'বিগ থ্রি'
ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। বাকি দেশগুলো বড় কোনো ইভেন্ট ভাগে পায়নি।
বঞ্চিতের তালিকার শীর্ষে থাকা দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। তবে ২০২৩ সালের পরের
স্লটে বাংলাদেশের ভাগ্যে বৈশ্বিক ইভেন্ট জুটেও যেতে পারে। সেটা নির্ভর
করবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) কতটা জোরালো লবিং করতে পারছে
বিসিবি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিইও মানু সোহনি এ মাসেই
মার্কেটিং বিভাগের প্রধানকে নিয়ে ঢাকায় আসবেন। বিসিবি সিইও নিজামউদ্দিন
চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের ক্রিকেট মার্কেটিং এবং ২০২৩-পরবর্তী ক্রিকেট
ইভেন্টের স্লট নিয়েও কথা বলবেন তারা।
বিপিএল টি২০ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ হবে ১৭ জানুয়ারি। ওই ম্যাচ দেখার জন্য বিসিবি থেকে নিমন্ত্রণ জানানো হবে আইসিসি সিইওকে। ঢাকার ক্রিকেট মার্কেট বোঝার জন্য বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচ উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম। সিইও জানান, এই সুযোগটা নিতে পারেন মানু। তবে ১৭ জানুয়ারির ফাইনাল ম্যাচে না থাকলে পরে যে কোনো দিন বাংলাদেশ সফরে আসবেন আইসিসি সিইও মানু। তার সফর নিয়ে বিসিবি সিইও বলেন, 'আইসিসির নতুন সিইও যোগ দেওয়ার পর তেমন কোনো দেশে যাননি। পর্যায়ক্রমে সদস্য দেশগুলোতে সফর করবেন সিইও। এর কারণ হলো, আইসিসি ইভেন্ট বণ্টন করা আছে ২০২৩ পর্যন্ত। এই মেয়াদ শেষ হলে নতুন টেন্ডারিংয়ে যাবে। তার আগে মার্কেট অ্যাসেসমেন্ট এবং সদস্য দেশের মতামত জানার প্রয়োজন আছে। ইভেন্ট বণ্টনেরও বিষয় আছে। এ কারণেই মূলত দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল ঢাকা আসবে।'
বাংলাদেশের ক্রিকেটের বাজার ভালো। ঢাকার ক্রিকেট অর্থনীতি নিয়ে আগেই মূল্যায়ন করে রেখেছে আইসিসি। এ দেশের দর্শকই ক্রিকেটের বড় সম্পদ। যে কারণে ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইভেন্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিসিবির সাবেক সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালের হাত ধরেই এসেছে ইভেন্টগুলো। ২০১১ সালে ভারত, শ্রীলংকার সঙ্গে ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে এককভাবে টি২০ বিশ্বকাপের সফল আয়োজন করেছে বিসিবি। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিন-তিনটা এশিয়া কাপ হয়েছে ঢাকায়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ হয়েছে ২০১৬ সালে। টাইগারদের প্রাক-টেস্ট যুগেও বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিক ছিল বাংলাদেশ। সেদিক থেকে পরে বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেলে তা যে সফলভাবে সম্পন্ন করবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে ইভেন্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ব্যাপারই জড়িত। বিসিবি আইসিসিতে কতটা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারছে এবং অন্যান্য সদস্য দেশের সমর্থন আদায় করতে পারছে, তার ওপর স্লট পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভরসার জায়গা কেবল ভারত। বাস্তবতা হলো, তারাও বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট পেতে মরিয়া হয়ে থাকবে। সে ক্ষেত্রে ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলে বাংলাদেশের ভাগ্যে নারী আর যুব ক্রিকেটের এক-দুইটা ইভেন্ট জুটলেও জুটতে পারে।
বিপিএল টি২০ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ হবে ১৭ জানুয়ারি। ওই ম্যাচ দেখার জন্য বিসিবি থেকে নিমন্ত্রণ জানানো হবে আইসিসি সিইওকে। ঢাকার ক্রিকেট মার্কেট বোঝার জন্য বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচ উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম। সিইও জানান, এই সুযোগটা নিতে পারেন মানু। তবে ১৭ জানুয়ারির ফাইনাল ম্যাচে না থাকলে পরে যে কোনো দিন বাংলাদেশ সফরে আসবেন আইসিসি সিইও মানু। তার সফর নিয়ে বিসিবি সিইও বলেন, 'আইসিসির নতুন সিইও যোগ দেওয়ার পর তেমন কোনো দেশে যাননি। পর্যায়ক্রমে সদস্য দেশগুলোতে সফর করবেন সিইও। এর কারণ হলো, আইসিসি ইভেন্ট বণ্টন করা আছে ২০২৩ পর্যন্ত। এই মেয়াদ শেষ হলে নতুন টেন্ডারিংয়ে যাবে। তার আগে মার্কেট অ্যাসেসমেন্ট এবং সদস্য দেশের মতামত জানার প্রয়োজন আছে। ইভেন্ট বণ্টনেরও বিষয় আছে। এ কারণেই মূলত দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল ঢাকা আসবে।'
বাংলাদেশের ক্রিকেটের বাজার ভালো। ঢাকার ক্রিকেট অর্থনীতি নিয়ে আগেই মূল্যায়ন করে রেখেছে আইসিসি। এ দেশের দর্শকই ক্রিকেটের বড় সম্পদ। যে কারণে ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইভেন্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিসিবির সাবেক সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালের হাত ধরেই এসেছে ইভেন্টগুলো। ২০১১ সালে ভারত, শ্রীলংকার সঙ্গে ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে এককভাবে টি২০ বিশ্বকাপের সফল আয়োজন করেছে বিসিবি। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিন-তিনটা এশিয়া কাপ হয়েছে ঢাকায়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ হয়েছে ২০১৬ সালে। টাইগারদের প্রাক-টেস্ট যুগেও বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিক ছিল বাংলাদেশ। সেদিক থেকে পরে বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেলে তা যে সফলভাবে সম্পন্ন করবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে ইভেন্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ব্যাপারই জড়িত। বিসিবি আইসিসিতে কতটা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারছে এবং অন্যান্য সদস্য দেশের সমর্থন আদায় করতে পারছে, তার ওপর স্লট পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভরসার জায়গা কেবল ভারত। বাস্তবতা হলো, তারাও বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট পেতে মরিয়া হয়ে থাকবে। সে ক্ষেত্রে ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলে বাংলাদেশের ভাগ্যে নারী আর যুব ক্রিকেটের এক-দুইটা ইভেন্ট জুটলেও জুটতে পারে।
সমকাল্
No comments:
Post a Comment